Monday, May 20, 2013

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন শতাধিক হেভিওয়েট নেতা

 
সরকারের রাজনৈতিক কূট-কৌশলে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন শতাধিক হেভিওয়েট নেতা। তারা প্রায় সবাই প্রধান বিরোধী দল বিএনপির। বিগত ওয়ান-ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে দায়ের হওয়া দুর্নীতি মামলা ও বর্তমান সরকার আমলে দ্রুত বিচার আইনে দায়ের হওয়া কিছু মামলার সর্বশেষ অবস্থা অনুযায়ী এমন আশঙ্কা করছেন রাজনীতিবিদ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, আইনানুগভাবে দোষী কোনো ব্যক্তি নির্বাচনে অযোগ্য হতেই পারেন। তবে হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করা উচিত হবে না।
নির্বাচনে যারা অযোগ্য হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে তাদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মেজর (অব.) শাহজাহান ওমর বীরবিক্রম, ড. ওসমান ফারুক, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, মোসাদ্দেক আলী ফালু, বরকত উল্ল¬াহ বুলু, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাবেক মন্ত্রী এম মোরশেদ খান, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী মীর মো. নাছির উদ্দিন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব হারিছ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো প্রমুখ।
যোগাযোগ করা হলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, ‘আইনানুগভাবে কেউ অযোগ্য হতেই পারেন। তবে হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে কোনো ব্যক্তি বা দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করা উচিত হবে না। এতে গণতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা তৈরি হলে অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে প্রধান দুই দলের দুই নেত্রী বিগত ওয়ান ইলেভেনের পর নিশ্চয়ই সেই অভিজ্ঞতা পেয়েছেন। তাছাড়া সরকারের ইশারায় দুদক যদি বেছে বেছে কোনো ব্যক্তি বা দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাহলে দুদক দেশের মানুষের আস্থা হারাবে। সরকারের কাছে দুদক খেলার পুতুল কি-না তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিবে।’
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিরোধী দলকে নির্যাতন ও হয়রানিমূলক মামলা দিয়ে কৌশলে নির্বাচনের বাইরে রাখা হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। যে কোনো প্রক্রিয়ায় প্রধান দুই দলের সমঝোতা হতে হবে। তা না হলে অগণতান্ত্রিক শক্তি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। যেমনটি হয়েছিল ২০০৭ সালে। অবশ্য দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান দুদকের কার্যক্রমে সরকারের সিগনালের বিষয়টি অস্বীকার করে আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, ‘কারও আদেশ-নির্দেশ বা ইশারায় দুদকের কার্যক্রম পরিচাািলত হয় না। নিজস্ব আইন ও বিধি অনুযায়ী দুদকের সমস্ত কর্মকা- পরিচালিত হয়। দুদক যেসব মামলায় হেরেছে সেসবের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের ও মামলা পরিচালনার জন্য অনেক আগেই সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি যেহেতু বিচার বিভাগের এখতিয়ার, তাই শুনানি কবে কিভাবে শুরু হবে তা আদালত নির্ধারণ করবেন। বেছে বেছে কারও বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’
এ ব্যাপারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ভালো করেই জানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তাদের পায়ের নিচে মাটি থাকবে না। তাই বিরোধী দলকে বাইরে রেখে যেনতেন নির্বাচন করে ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্র করছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা দায়ের, হয়রানি ও নির্যাতন চালাচ্ছে। বিরোধী দলকে ঘায়েল করার অপচেষ্টায় বর্তমান সরকার বিচার বিভাগেও হস্তক্ষেপ করছে।’ তবে দেশের সব আদালতে বিএনপি নেতারা ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশা করেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।
জাতীয় সংসদের বেসরকারি সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু এমপি বলেছেন, মামলা হলেই শাস্তি হবে এমন ধারণা অমূলক। আদালত স্বাধীনভাবেই বিচার কাজ পরিচালনা করছেন। আসামিরা খালাসও পেতে পারেন। এতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কোনো অবকাশ নেই। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, দলের শতাধিক শীর্ষ নেতাকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাইরে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে বর্তমান সরকার। এটা বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার সব ধরনের পরিকল্পনা করছে। বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হলেও দলটি যাতে প্রার্থী সঙ্কটে পড়ে, এজন্য দলের প্রথম সারির নেতাদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য করা হবে। যেসব নেতা নির্বাচনে বিজয়ী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে, দ্রুততম সময়ে তাদের কমপক্ষে দুই বছর করে কারাদ- হতে পারে এ ধরনের মামলা এরই মধ্যে দায়ের করা হয়েছে। সবার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দেয়া সম্ভব না হলে, দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত পুরনো মামলায় তাদের শাস্তি দেয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারেন এমন অন্তত ৫০ জন নেতার বিরুদ্ধে সম্প্রতি হরতালে গাড়ি ভাংচুর, ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে দ্রুত বিচার আইনে কয়েকটি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার চার্জশিটও দাখিল হয়েছে আদালতে। চার্জ গঠনের শুনানির জন্য এরই মধ্যে দিন ধার্য হয়েছে। বিধান অনুযায়ী চার্জশিট দাখিলের পর ৬০ দিনের মধ্যে মামলার বিচার কাজ শেষ হবে। ফলে আগামী দুই মাসের মধ্যে এসব মামলায় বিএনপি নেতাদের দুই থেকে পাঁচ বছরের কারাদ- হতে পারে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর ২ বছর বা ততোধিক সাজা হলে ওই ব্যক্তি সংবিধানের ৬৬ (২) (ঘ) ধারা অনুযায়ী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য হবেন।
এদিকে যাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা হয়নি এমন নেতাদের ঘাড়েও ঝুলছে ওয়ান-ইলেভেনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দায়ের হওয়া দুর্নীতি মামলা। এসব মামলায় ২০০৭ ও ২০০৮ সালে দুদকের দায়ের করা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় অনেক নেতা। ওই মামলাগুলোর চূড়ান্ত বিচার ঝুলে আছে আপিল বিভাগে। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তারা হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। ২০০৯ ও ২০১০ সালের বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্টের বিভিন্ন বেঞ্চের আদেশে নিম্ন আদালতের সাজা বাতিল, খালাস, স্থগিত বা বিচার কাজে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। দুদক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল আবেদন করলেও দুই বছরে শুনানি শুরু করতে পারেনি। দুদক এখন সরকারের গ্রিন সিগনালের অপেক্ষায় রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। সরকারের সিগনাল পেলেই আপিল বিভাগে শুনানি শুরু করার উদ্যোগ নেবে দুদক। সেক্ষেত্রে নিম্ন আদালতের সাজা বহাল থাকতে পারে এমনভাবেই শুনানিতে অংশ নেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন সরকার ও দুদকের আইনজীবীরা।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর বিএনপির সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ৯ বছর কারাদন্ড হয়। একই ধরনের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৪ আগস্ট সাবেক মন্ত্রী এম মোরশেদ খানের ১৩ বছর কারাদ- হয়। তারা ওই সময় হাইকোর্টে রিট আবেদন করে জামিন পান। পরে হাইকোর্টের রায়ে সাজা বাতিল হয়। একইভাবে ওয়ান-ইলেভেনের পর দুই বছরে দুদকের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মেজর (অব.) শাহজাহান ওমর বীরবিক্রম, বিএনপির যগ্ম-মহাসচিব মোসাদ্দেক আলী ফালু, আমান উল্লাহ আমান, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী মীর মো. নাছির উদ্দিন, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব হারিছ চৌধুরীসহ প্রায় অর্ধশত বিএনপি নেতা। তাদের অনেকেই ওই সময়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন। পরে এসব মামলায় ২০০৯ ও ২০১০ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্টের রায়ে অনেকেই খালাস ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন।
বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনের বাইরে রাখার কৌশলের অংশ হিসেবে তারেক রহমানসহ বিএনপির ১০০ জনের বেশি নেতাকে টার্গেট করা হয়েছে। ওই নেতারা সবাই নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন। সম্প্রতি হরতালে গাড়ি পোড়ানো ও বিস্ফোরণের ঘটনার মামলায় বিএনপির প্রথম সারির অন্তত ৫০ নেতার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করা হয়েছে। চার্জশিটও আদালতে দাখিল করা হয়েছে। চার্জ গঠনের শুনানির জন্য দিন দার্য করেছেন আদালত। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। নিয়ম অনুযায়ী কোনো ব্যক্তির দুই বছরের বেশি সাজা হলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এরই মধ্যে যেসব নেতার নামে মামলা হয়েছে, তাদের সবারই দুই থেকে পাঁচ বছর করে কারাদ- হতে পারে বলে আশাবাদী সরকারপক্ষ। আর সেটা হলে অভিযুক্তরা আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সরকারপক্ষের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব মামলায় যেসব নেতাকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল, তাদের অনেকে জামিনে মুক্তি পেলেও পরে বিচারে সাজা হলে আবার তাদের কারাগারে নেয়া হবে। ওই দুই মামলায় অভিযুক্তের তালিকায় বিএনপির প্রথম সারির নেতারা হলেন- বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এমপি, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সহ-সভাপতি আবদুল্ল¬াহ আল নোমান, যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এমপি, যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগিরই রায় ঘোষণা হতে পারে। এ মামলায় তাদের সাজা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজের প্রতিবাদে গাড়ি পোড়ানো ও সচিবালয়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পুলিশের দায়ের করা মামলায় আসামি হয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ড. ওসমান ফারুকসহ শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতা। এ মামলাতে তাদের দুই থেকে পাঁচ বছর করে সাজা হতে পারে মনে করছেন সরকারপক্ষের আইনজীবীরা। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কারাবন্দি বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীরও সাজা হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের সরকারপক্ষের আইনজীবীরা। একই ধরনের অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতাদের অনেকের সাজা হয়েছে। আবার অনেকের বিরুদ্ধে বিচার চলছে। তারাও একইভাবে নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারে।

No comments:

Post a Comment