ঢাকা: সন্ত্রাস বিরোধী সহায়তা কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে সন্ত্রাস মোকাবেলা করতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি এর মাধ্যমে পুরো অঞ্চলের স্বার্থ রক্ষাও সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দফতরের কূটনৈতিক নিরাপত্তা ব্যুরো আয়েজিত ‘সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় পুলিশের ভূমিকা’র ওপর প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা এসব কথা বলেন।
প্রশিক্ষণটির লক্ষ্য ও সুবিধা সম্পর্কে মজীনা বলেন,
‘‘ এ প্রশিক্ষণ পুলিশ ব্যবস্থাপকদের উদ্ভাবনী কৌশল গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। এছাড়া এ কাজে সক্ষমতা উন্নয়নে অত্যাধুনিক পন্থা নিরূপণেও এ প্রশিক্ষণ সাহায্য করবে’’।
মজীনা বলেন, ‘‘সন্ত্রাসকে পরাজিত করতে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া আরো সুসংহত এবং প্রযুক্তি আরো উৎকর্ষিত হওয়া প্রয়োজন। সন্ত্রাস মোকাবেলায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে বাংলাদেশ সামর্থ অর্জন করছে’’।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের সন্ত্রাস বিরোধী সহায়তা কর্মসূচি ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আঞ্চলিক নিরাপত্তা দফতরের মাধ্যমে দশদিনের এ প্রশিক্ষণটি ঢাকার পুলিশ স্টাফ কলেজে অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশিক্ষকরাই পরিচালনা করেন প্রশিক্ষণপর্ব।
প্রশিক্ষণে পাশ করা শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে ড্যান মজীনার সঙ্গে অনেকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ইন্সপেক্টর জেনারেল হাসান মাহমুদ খন্দকার, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর মো. নাজমুল হক ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেসন উইলিয়ামস্।
এসময় ড্যান মজীনা আরো বলেন, ‘‘হাজার হাজার বাংলাদেশি পুলিশ সদস্য এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থা, মন্ত্রণালয়ের ও ডিরেক্টোরেটের কর্মকর্তারা ২০০০ সাল থেকে এ অবধি এটিএ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ লাভ করেছেন। এই প্রশিক্ষণের জন্য দুই কোটি বিশ লাখ ডলার বিশেষায়িত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহায়তা স্বরূপ দেওয়া হয়েছে’’।
আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেসন উইলিয়ামস্ বলেন, ‘‘প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের এই শিক্ষা বিভিন্ন অপারেশনে কাজে লাগানো ও প্রয়োগ করা উচিত। তারা যা শিখেছে তা সহকর্মীদের সঙ্গে বিনিময় করা উচিত’’।
বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশীদারিত্বে এই বছর আরো কয়েকবার একই প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানায়।

No comments:
Post a Comment