ঢাকা: অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা পাকিস্তানের সাবেক
প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির ছেলে আলি হায়দার গিলানিকে অপহরণ করেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, অপহরণের সময় গিলানিপুত্র
নির্বাচনী একটি র্যালিতে ভাষণ দিচ্ছিলেন।
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) ওই র্যালিটি বৃহস্পতিবার মুলতানের ফারুক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।
র্যালির একপর্যায়ে দুর্বত্তরা গুলি করতে করতে আলি হায়দারের দিকে এগিয়ে যায়। এসময় আলি হায়দারকে বাঁচাতে গেলে তার সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীর সঙ্গে বন্দুকধারীদের গুলি বিনিময় হয়। বন্দুকধারীদের গুলিতে গিলানির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী এবং সচিব নিহত হয়।
এর আগে একাধিকবার আলী হায়দারকে মুলতানে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে কয়েকটি গোষ্ঠী নিষেধ করেছিল। কিন্তু তিনি সকল নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবারের র্যালিতে যোগ দেন।
১১ মে শনিবার পাকিস্তানে বহুল আলোচিত নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। শনিবারের নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামরত পাকিস্তানের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ সময় সামরিক বাহিনীর শাসনে থাকা দেশটিতে প্রথমবারের মতো কোন গণতান্ত্রিক সরকার পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করছে।
এদিকে এই নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশটিতে ক্রমশ হামলা বেড়ে চলছে। গত একমাসে হামলায় নিহত হয় বেশ কয়েকজন প্রার্থী। এছাড়া কয়েকটি নির্বাচনী কেন্দ্র বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ারও ঘটনা ঘটেছে।
পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) ওই র্যালিটি বৃহস্পতিবার মুলতানের ফারুক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল।
র্যালির একপর্যায়ে দুর্বত্তরা গুলি করতে করতে আলি হায়দারের দিকে এগিয়ে যায়। এসময় আলি হায়দারকে বাঁচাতে গেলে তার সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীর সঙ্গে বন্দুকধারীদের গুলি বিনিময় হয়। বন্দুকধারীদের গুলিতে গিলানির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী এবং সচিব নিহত হয়।
এর আগে একাধিকবার আলী হায়দারকে মুলতানে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে কয়েকটি গোষ্ঠী নিষেধ করেছিল। কিন্তু তিনি সকল নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবারের র্যালিতে যোগ দেন।
১১ মে শনিবার পাকিস্তানে বহুল আলোচিত নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। শনিবারের নির্বাচন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামরত পাকিস্তানের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ সময় সামরিক বাহিনীর শাসনে থাকা দেশটিতে প্রথমবারের মতো কোন গণতান্ত্রিক সরকার পূর্ণ মেয়াদে দায়িত্ব পালন শেষে ব্যালটের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করছে।
এদিকে এই নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশটিতে ক্রমশ হামলা বেড়ে চলছে। গত একমাসে হামলায় নিহত হয় বেশ কয়েকজন প্রার্থী। এছাড়া কয়েকটি নির্বাচনী কেন্দ্র বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ারও ঘটনা ঘটেছে।
No comments:
Post a Comment