Thursday, May 16, 2013

জামায়াতের নিবন্ধন: রুলের শুনানি ফের ২২ মে


ঢাকা: জামায়াতকে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া নিবন্ধনের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি অব্যাহত রয়েছে। আগামী ২২ মে পর্যন্ত শুনানি মুলতবি করেছেন বিচারপতি এম মোয়াজ্জাম হোসেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি কাজী রেজা-উল-হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বৃহত্তর (লার্জার) বেঞ্চ।

বৃহস্পতিবার জামায়াতের পক্ষে শুনানি শুরু করেছেন  ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক। ২২ মে পরবর্তী দিনেও শুনানি করবেন তিনি।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়। ওই দিন আদালতে হলফনামা আকারে ইসির জবাব দাখিল করা হয়। গত ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি শেষ করেছেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর। আর গত ২৫ এপ্রিল শুনানি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইনজীবী মহসীন রশীদ।

২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি জারি করা রুলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভুত এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০বি (১) (বি) (২) ও ৯০ (সি) অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চাওয়া হয়। গত ১১ মার্চ জামায়াতে ইসলামী ও ইসিকে ৯ এপ্রিলের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলেছিলেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের সেক্রেটারি জেনারেল সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী, জাকের পার্টির মহাসচিব মুন্সি আবদুল লতিফ, সম্মিলিত ইসলামী জোটের প্রেসিডেন্ট মওলানা জিয়াউল হাসানসহ ২৫ জন জামায়াতের নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট আবেদনটি করেন।

এ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক (পরর্বতীতে প্রধান বিচারপতি) ও বিচারপতি মো. আবদুল হাইয়ের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০০৯ সালের ২৭ জানুয়ারি রুল জারি করেন। ৬ সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে রুল জারির পর ওই বছরের ডিসেম্বরে একবার, ২০১০ সালের জুলাই ও নভেম্বরে দুইবার এবং ২০১২ সালের অক্টোবর ও নভেম্বরে দুইবার তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়। এসব সংশোধনীতে দলের নাম ‘জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ’ পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’ করা হয়।

No comments:

Post a Comment