ইরাকের রাজধানী বাগদাদ ও আশপাশের সুন্নি এলাকায় শুক্রবার বোমা হামলায়
কমপক্ষে ৭৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে বহু লোক। এ নিয়ে সেখানে গত তিন দিনে
বোমা হামলায় ১৩০ জন নিহত হলো।
গতকাল আল জাজিরা টেলিভিশনের অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বুধবার শিয়াদের লক্ষ্য করে একাধিক বোমা হামলার মধ্য দিয়ে সহিংসতা শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতি ও শুক্রবার আরও সহিংস ঘটনা ঘটে। গত আট মাসের মধ্যে গতকালের হতাহতের ঘটনা ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী।
গতকাল বাগদাদের কাছে বাকুবার একটি সুন্নি মসজিদের পাশে জোড়া বোমা হামলায় ৪১ জন নিহত হয় এবং আহত হয় ৫৬ জন। পশ্চিম বাগদাদের মাদাইনে সুন্নিদের একটি দাফন অনুষ্ঠানে জোড়া বোমা হামলায় আটজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়।
পশ্চিম বাগদাদের ফালুজায় একটি ক্যাফেতে বোমা হামলায় দুজন নিহত ও নয়জন আহত হয়। বাগদাদের একটি বিপণিকেন্দ্রের কাছে বোমা হামলায় নিহত হয় ২১ জন এবং আহত হয় ৩২ জন।
বাণিজ্যিক শহর দোরায় এক বোমা হামলায় চারজন নিহত ও ২২ জন আহত হয়। সব মিলিয়ে গতকালের বোমা হামলায় অন্তত ৭৬ জন নিহত হয়েছে বলে ইরাকের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
বোমা হামলার দায় কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে শিয়া জঙ্গিরা এসব ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন করে সহিংসতা ইরাককে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকেরা।
গতকাল আল জাজিরা টেলিভিশনের অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বুধবার শিয়াদের লক্ষ্য করে একাধিক বোমা হামলার মধ্য দিয়ে সহিংসতা শুরু হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতি ও শুক্রবার আরও সহিংস ঘটনা ঘটে। গত আট মাসের মধ্যে গতকালের হতাহতের ঘটনা ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী।
গতকাল বাগদাদের কাছে বাকুবার একটি সুন্নি মসজিদের পাশে জোড়া বোমা হামলায় ৪১ জন নিহত হয় এবং আহত হয় ৫৬ জন। পশ্চিম বাগদাদের মাদাইনে সুন্নিদের একটি দাফন অনুষ্ঠানে জোড়া বোমা হামলায় আটজন নিহত ও ১৪ জন আহত হয়।
পশ্চিম বাগদাদের ফালুজায় একটি ক্যাফেতে বোমা হামলায় দুজন নিহত ও নয়জন আহত হয়। বাগদাদের একটি বিপণিকেন্দ্রের কাছে বোমা হামলায় নিহত হয় ২১ জন এবং আহত হয় ৩২ জন।
বাণিজ্যিক শহর দোরায় এক বোমা হামলায় চারজন নিহত ও ২২ জন আহত হয়। সব মিলিয়ে গতকালের বোমা হামলায় অন্তত ৭৬ জন নিহত হয়েছে বলে ইরাকের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।
বোমা হামলার দায় কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। তবে শিয়া জঙ্গিরা এসব ঘটিয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন করে সহিংসতা ইরাককে আরও অস্থিতিশীল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যবেক্ষকেরা।
No comments:
Post a Comment