ঢাকা: দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার মানসিকতার পরিবর্তন দরকার বলে
মন্তব্য করেছেন প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক।শনিবার
বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার
বাস্তবায়ন সংস্থা আয়োজিত ‘রাজনীতি ও মানবাধিকার: কোন গন্তব্যে বাংলাদেশ’
শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, “আমরা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। তা অন্তর্বর্তীকালীন বলেন, আর তত্ত্বাবধায়ক বলেন- তাতে সমস্যা নেই। যে পদ্ধতিতেই নির্বাচন হোক না কেন তা গ্রহণযোগ্য হতে হবে।”
তিনি বলেন, “দুই দল থেকেই নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। তবে এসবের আগে দুই নেত্রীর মানসিকতার পরিবর্তন আবশ্যক।”
রফিক-উল হক বলেন, “সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সমান সংখ্যক সরকারি এবং বিরোধীদলের সদস্যদের নিয়ে সরকার গঠন করে নির্বাচন দিন। যে সরকারই হোক আমরা বরণ করে নেব। আমাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রয়োজন। এটা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।”
সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, “রাজনীতি সৃষ্টি হয়েছে সমস্যা সমাধানের জন্য। এ রাজনীতি আপনাকে পর করে, পরকে আপন করে। রাজনীতিতে যদি ভিন্নমত থাকে তবে তা তীব্র আকার ধারণ করলে শান্তিতে থাকা যায় না। তার জন্য ঐকমত্য প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, “রাজনীতিবিদদের ভিন্নমত তীব্র আকার ধারণ করায় গণতন্ত্র থাকবে কি না তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্র রক্ষার্থে দু’টি পথ খোলা আছে। একটা হচ্ছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করা, অন্যটি ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হলে নিরপেক্ষ ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।”
এমাজউদ্দিন বলেন, “আমরা এখনো হতাশ হইনি। আমাদের বিশ্বাস রাজনীতিবিদরা আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র নিশ্চিত করবেন।”
সাংবাদিক সুজন দে’র সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া।
সাবেক এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন- লায়ন মো. গনি মিয়া বাবলু, সাংবাদিক মাহবুব আলম, মোস্তাক হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান নাইম, অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, মিয়া মুজাম্মেল হক, অ্যাডভোকেট হাজী মুহম্মদ মহসীন ও অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ।
ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, “আমরা অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। তা অন্তর্বর্তীকালীন বলেন, আর তত্ত্বাবধায়ক বলেন- তাতে সমস্যা নেই। যে পদ্ধতিতেই নির্বাচন হোক না কেন তা গ্রহণযোগ্য হতে হবে।”
তিনি বলেন, “দুই দল থেকেই নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে। তবে এসবের আগে দুই নেত্রীর মানসিকতার পরিবর্তন আবশ্যক।”
রফিক-উল হক বলেন, “সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সমান সংখ্যক সরকারি এবং বিরোধীদলের সদস্যদের নিয়ে সরকার গঠন করে নির্বাচন দিন। যে সরকারই হোক আমরা বরণ করে নেব। আমাদের মধ্যে ঐকমত্য প্রয়োজন। এটা থাকলে সব সমস্যার সমাধান হবে।”
সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ বলেন, “রাজনীতি সৃষ্টি হয়েছে সমস্যা সমাধানের জন্য। এ রাজনীতি আপনাকে পর করে, পরকে আপন করে। রাজনীতিতে যদি ভিন্নমত থাকে তবে তা তীব্র আকার ধারণ করলে শান্তিতে থাকা যায় না। তার জন্য ঐকমত্য প্রয়োজন।”
তিনি বলেন, “রাজনীতিবিদদের ভিন্নমত তীব্র আকার ধারণ করায় গণতন্ত্র থাকবে কি না তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। গণতন্ত্র রক্ষার্থে দু’টি পথ খোলা আছে। একটা হচ্ছে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করা, অন্যটি ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হলে নিরপেক্ষ ব্যক্তির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।”
এমাজউদ্দিন বলেন, “আমরা এখনো হতাশ হইনি। আমাদের বিশ্বাস রাজনীতিবিদরা আলোচনা পর্যালোচনার মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র নিশ্চিত করবেন।”
সাংবাদিক সুজন দে’র সঞ্চালনায় সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া।
সাবেক এমপি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন- লায়ন মো. গনি মিয়া বাবলু, সাংবাদিক মাহবুব আলম, মোস্তাক হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান নাইম, অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান, মিয়া মুজাম্মেল হক, অ্যাডভোকেট হাজী মুহম্মদ মহসীন ও অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ।

No comments:
Post a Comment