ঢাকা: কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, সরকার সবচেয়ে
শান্তিপূর্ণ উপায়ে হেফাজতিদের মতিঝিল থেকে সরিয়ে দিয়েছে। সরকার তার দায়িত্ব
অনুযায়ী কাজ করেছে। তবে তাদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম শক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।
মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে গভীর রাতে হেফাজতকর্মীদের সরানো হয়েছে, তা কী অন্য কোনো উপায়ে করা যেতো না একজন দর্শকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানী বিয়াম অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে কৃষিমন্ত্রী ছিলেন অন্যতম প্যানেল আলোচক।
এসময় তিনি আরো বলেন-তারা এর আগে যখন সমাবেশ করেছিলো তখন শান্তিপূর্ণভাবেই ফিরে গিয়েছিলো। তাই আমরা ভেবেছিলাম তারা কথা রাখবেন। তারা কথার বরখেলাপ করেছেন। শেষ পর্যন্ত তাদের নেতাই আসলেন না।
প্যানেলে আরো ছিলেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির কনভেনার ড. এম.এ.হাসান। সংলাপ উপস্থাপনা করেন আকবর হোসেন।
একই প্রসঙ্গে আলোচনায় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আ.স.ম হান্নান শাহ বলেছেন, সরকার আইন অনুসারে বিভিন্ন পন্থা যেমন মাইকিং করে তাদের সরে যেতে বলতে পারতো। আমরা ঐ দিন সন্ধায় মানবিকতার খাতিরে মেহমান হিসেবে তাদের আপ্যায়ন করায় দোষ হয়ে গেছে আর সরকার যে অনুমতি দিলো এতে কোনো দোষ হলো না।
ড. মাহবুবউল্লাহ বলেন, ঐ দিন রাতের ঘটনা যথেষ্ট রহস্যাবৃত। বিকল্প হিসেবে হেফাজতের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা যেতো। এর ফলে বাংলাদেশের জনগণের সংহতি ও ঐক্য নষ্ট হয়েছে।
এম.এ.হাসান বলেন, হেফাজতকে এরকম সংবেদনশীল স্থানে কেন সমাবেশ করতে দেওয়া হলো তা বোঝা গেলো না। তাছাড়া এতো অসহায় কোমলমতি মাদ্রাসা ছাত্রদের রেখে তারা কেন চলে গেলো তা বুঝতে পারলাম না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল প্রসঙ্গে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম সরকার প্রত্যাখ্যান করার পর দু’পক্ষের মধ্যে সংলাপের সম্ভাবনা কি শেষ হয়ে গেল?
আরেকজন দর্শকের প্রশ্নের জবাবে হান্নান শাহ বলেন, সংলাপের ব্যাপারে আমরা এখনো আশাবাদী। আমাদের নেত্রী তার বাড়িতে চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন কারণ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, পার্লামেন্ট বা পার্লামেন্টের বাইরে যে কোন জায়গায় আলোচনা চলতে পারে। তবে সবচেয়ে, ভালো পন্থা হলো গণভোটের আয়োজন করা।
এম.এ.হাসান বলেন, দুপক্ষের আন্তরিকতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। দু’পক্ষ আন্তরিক হলেই এ সংলাপ সম্ভব হবে।
ড.মাহবুবউল্লাহ বলেন, সম্ভাবনা নেই, আবার আছেও। বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়তে পারে।
সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর অনেক দেশ উদ্ধার কাজে সহায়তার যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করা কি যুক্তিসঙ্গত ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এম.এ.হাসান বলেন, বিদেশী সাহায্য নেওয়া যেতো। তবে আমাদের সেনাবাহিনী, নিরাপত্তা বাহিনী, উদ্ধারকর্মী সর্বোপরি সাধারণ মানুষ যথেষ্ট সাহসের পরিচয় দিয়েছে।
হান্নান শাহ বলেন, অবশ্যই উচিত ছিলো। মানুষ বাঁচানোর জন্য যা করা উচিত ছিলো তা করা হয়নি। প্রাথমিক অবস্থায় নিয়ন্ত্রণবিহীন উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিশ মিনিটের মধ্যে আমরা উদ্ধারকাজ শুরু করেছি। তারা চাইলেতো অনুমতির অপেক্ষা না করেই উদ্ধার কাজ চালাতে পারতো।
মতিয়া চৌধুরী অবশ্য শনিবারই প্রকাশিত একটি জরিপ প্রসঙ্গে প্রথমসারির একটি জাতীয় দৈনিক ও এর সম্পাদকের বিষয়ে বেশ কিছু কথাও বলেন।
মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে গভীর রাতে হেফাজতকর্মীদের সরানো হয়েছে, তা কী অন্য কোনো উপায়ে করা যেতো না একজন দর্শকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানী বিয়াম অডিটোরিয়ামে আয়োজিত বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে কৃষিমন্ত্রী ছিলেন অন্যতম প্যানেল আলোচক।
এসময় তিনি আরো বলেন-তারা এর আগে যখন সমাবেশ করেছিলো তখন শান্তিপূর্ণভাবেই ফিরে গিয়েছিলো। তাই আমরা ভেবেছিলাম তারা কথা রাখবেন। তারা কথার বরখেলাপ করেছেন। শেষ পর্যন্ত তাদের নেতাই আসলেন না।
প্যানেলে আরো ছিলেন, বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির কনভেনার ড. এম.এ.হাসান। সংলাপ উপস্থাপনা করেন আকবর হোসেন।
একই প্রসঙ্গে আলোচনায় বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য আ.স.ম হান্নান শাহ বলেছেন, সরকার আইন অনুসারে বিভিন্ন পন্থা যেমন মাইকিং করে তাদের সরে যেতে বলতে পারতো। আমরা ঐ দিন সন্ধায় মানবিকতার খাতিরে মেহমান হিসেবে তাদের আপ্যায়ন করায় দোষ হয়ে গেছে আর সরকার যে অনুমতি দিলো এতে কোনো দোষ হলো না।
ড. মাহবুবউল্লাহ বলেন, ঐ দিন রাতের ঘটনা যথেষ্ট রহস্যাবৃত। বিকল্প হিসেবে হেফাজতের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা যেতো। এর ফলে বাংলাদেশের জনগণের সংহতি ও ঐক্য নষ্ট হয়েছে।
এম.এ.হাসান বলেন, হেফাজতকে এরকম সংবেদনশীল স্থানে কেন সমাবেশ করতে দেওয়া হলো তা বোঝা গেলো না। তাছাড়া এতো অসহায় কোমলমতি মাদ্রাসা ছাত্রদের রেখে তারা কেন চলে গেলো তা বুঝতে পারলাম না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল প্রসঙ্গে বিএনপির ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম সরকার প্রত্যাখ্যান করার পর দু’পক্ষের মধ্যে সংলাপের সম্ভাবনা কি শেষ হয়ে গেল?
আরেকজন দর্শকের প্রশ্নের জবাবে হান্নান শাহ বলেন, সংলাপের ব্যাপারে আমরা এখনো আশাবাদী। আমাদের নেত্রী তার বাড়িতে চায়ের দাওয়াত দিয়েছিলেন কারণ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, পার্লামেন্ট বা পার্লামেন্টের বাইরে যে কোন জায়গায় আলোচনা চলতে পারে। তবে সবচেয়ে, ভালো পন্থা হলো গণভোটের আয়োজন করা।
এম.এ.হাসান বলেন, দুপক্ষের আন্তরিকতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। দু’পক্ষ আন্তরিক হলেই এ সংলাপ সম্ভব হবে।
ড.মাহবুবউল্লাহ বলেন, সম্ভাবনা নেই, আবার আছেও। বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রয়োজন পড়তে পারে।
সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর অনেক দেশ উদ্ধার কাজে সহায়তার যে প্রস্তাব দিয়েছিল, তা প্রত্যাখ্যান করা কি যুক্তিসঙ্গত ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে এম.এ.হাসান বলেন, বিদেশী সাহায্য নেওয়া যেতো। তবে আমাদের সেনাবাহিনী, নিরাপত্তা বাহিনী, উদ্ধারকর্মী সর্বোপরি সাধারণ মানুষ যথেষ্ট সাহসের পরিচয় দিয়েছে।
হান্নান শাহ বলেন, অবশ্যই উচিত ছিলো। মানুষ বাঁচানোর জন্য যা করা উচিত ছিলো তা করা হয়নি। প্রাথমিক অবস্থায় নিয়ন্ত্রণবিহীন উদ্ধারকাজ চালানো হয়েছে।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, বিশ মিনিটের মধ্যে আমরা উদ্ধারকাজ শুরু করেছি। তারা চাইলেতো অনুমতির অপেক্ষা না করেই উদ্ধার কাজ চালাতে পারতো।
মতিয়া চৌধুরী অবশ্য শনিবারই প্রকাশিত একটি জরিপ প্রসঙ্গে প্রথমসারির একটি জাতীয় দৈনিক ও এর সম্পাদকের বিষয়ে বেশ কিছু কথাও বলেন।
No comments:
Post a Comment