নাটোর জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মাতা রাফেয়া তালুকদার (৯৫) এর প্রথম নামাজে জানাজা বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় নাটোর নবাব সিরাজ-উদ- দৌলা সরকারী কলেজ মাঠে হয়। জানাজায় প্যারোলে মুক্তিপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা দুলুসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
মায়ের জানাজা ও দাফন কাজে অংশ নিতে ৬ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পান বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। বুধবার সকাল ১০টার দিকে নাটোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এ্যাম্বুলেন্স করে দুলুকে নিয়ে যাওয়া হয় নাটোর শহরের আলাইপুরস্থ তার বাসভবনে। সেখান থেকে সরকারী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত প্রথম জানাজায় অংশ নেন তিনি। এখানে তিনি মায়ের ও নিজের জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। এসময় মরহুমার অপর ছেলে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন তালুকদার টগরও মুসল্লিদের কাছে দোয়া কামনা করেন।
এরপর রাফেয়া তালুকদারের মরদেহ গ্রামের
বাড়ি নাটোর সদর উপজেলার নলডাঙ্গা থানার রামশারকাজিপুরে নেওয়া হয়। সেখানে
বাদ জোহুর দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে স্বামী ডা:
নাসির উদ্দিন তালুকদারের কবরের পাশে রাফেয়া তালুকদারকে দাফন করা পর্যন্ত
অবস্থান শেষে বিকাল ৪ টায় পূনরায় দুলুকে কারাগারে নেয়া হয়। এর আগে মঙ্গলবার
রাতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিজন সেল থেকে তাকে নাটোর জেলা
কারাগারে নেয়া হয়। বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর মা রাফিয়া
তালুকদার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
উল্লেখ্য, নাটোর শহর যুবলীগ নেতা পলাশ
দাস হত্যা মামলায় দুলুকে নাটোর থানার পুলিশ গত বছরের ৮ ডিসেম্বর গ্রেফতার
করে। এরপর থেকে দুলু কারাগারে রয়েছেন। মায়ের মৃত্যুর কারনে দুলু ৬ ঘন্টার
জন্য প্যারোলে মুক্তি পান।
নাটোর এনএস সরকারী কলেজ মাঠের জানাজা
নামাজে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি
সাবেক সংসদ সদস্য কাজী গোলাম মোর্শেদ,সাধারন সম্পাদক আমিনুল হক,সাবেক এমপি
মোজম্মেল হক,নাটোর পৌর মেয়র শেখ এমদাদুল হক আল মামুন,সাবেক মেয়র কাজী শাহ
আলম,জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সাবেক এমপি মজিবর রহমান সেন্টু,জেলা
জামায়াতের আমীর অধ্যাপক ইউনুস আলী,জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আব্দুল্লাহ আল
সাকিব বাকী ,সাধারন সম্পাদক শফিউল আযম স্বপন,বর্ষিয়ানবিএনপি নেতা সিরাজুল
ইসলাম,আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment